![]() |
প্রণমি তোমায় |
রাজনৈতিক দলীয় অত্যাচার থেকে স্বাধিনতা, অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে স্বাধীনতা, বহু পুরানো কুসংস্কার চিন্তাধারা থেকে স্বাধীনতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধ্যে সোচ্ছার হবার স্বাধীনতা, পারিপার্শ্বিক চাপ থেকে মুক্ত ছিন্তাধারার স্বাধীনতা, নারী অত্যাচার থেকে স্বাধীনতা, সর্বোপরি অশিক্ষা- অরাজকতা- অন্যায়- অত্যাচার- অবিচার- নাশকতা থেকে স্বাধীনতা। বেশিই বলে ফেললাম। বাস্তবতা দেখলে একটা দেশ স্বাধীন হবার কয়েক বছরের মধ্যেই এত উন্নত হয়না, কিন্তু আমরা হয়েছি, এটা আমার দেশ; ভারত। খুব আশা করি একশবত্ত্রিশ কোটি ভারতিয়বাসিরা যদি প্রতিদিন একটু একটু করে চেষ্টা করে তাহলে আমরা একদিন এই পুণ্যভূমিকে ঠিক পারবো হাজার হাজার বীর শহিদদের স্বপ্নের মতন করে তুলতে।
কিন্তু এখন স্বাধীনতা দিবস বলতে আমরা এখান আমরা যেটা বুঝি তা হলঃ ব্যাস্ত কর্মরত জীবন থেকে একদিনের মুক্তি, দেরী করে ঘুম থেকে উঠে সোশ্যাল মিডিয়াতে স্বাধীনতা দিবসদের একটা পাবলিক পোস্ট , অথবা দায়বদ্ধ হয়ে একটা স্তম্ভে তিরঙ্গা টানিয়ে -সোচ্ছার করে "বান্দেমাতারাম" আর "জয় হিন্দ" বলার পর চারটে দেশাত্মবোধক সঙ্গীত চালানো - তা সেটা পাড়ার ক্লাব অথবা বাড়ির ছাদ, ব্যাস। সেই দেশভক্তিটা কেন জানো পরেরদিন সকালবেলা থেকে আর খুজে পাওয়া জায়না। মাটিতে লুটিয়ে পরা সেই তিরঙ্গটা সহ্য করে তার সন্তানের দাওয়া অমর্যাদা আর অশ্রদ্ধা। না, খুব নেতিবাচক চিন্তাধারা নয় আমার। প্রেরচিত হই, বহু বহু মানুষের সৎবুদ্ধি, সৎচিন্তা, সৎকর্মের দাড়া। আমি এটা বুঝিনা ওই মানুষগুলোর ভিডিও আর ছবি দেখার পর একটা লাইক বা শেয়ার ছাড়া জেড করে নিজেও কিছু করার কথা কেন ভাবিনা। এই মা কি শুধু তাদের একার? এই মায়ের দুধের একফোঁটা ঋণ কি আমরা শোধ করার চেষ্টা করতে অক্ষম? নই। তাইতো আগেই বললাম একটু চেষ্টা করলেই পারবো। কারন এটা আমাদেরই দায়িত্ব, ওই কাঠফাটা রোদ্দুর এ ঘাম ঝরিয়ে আমরা যেমন চাই আমাদের সন্তানেরা একটু সুখের মুখ দেখুক, ঠিক তেমনি একটু একটু করে ভালোবেসে একটু করে পা বাড়ানো মানে ভারত মাতাকে বলে যাওয়া- মা, তোমার আসন্ন "সন্তানেরা যেন থাকে দুধে-ভাতে"।

No comments:
Post a Comment