আজ ৩১ শে অগাস্ট, আজ থেকে এক বছর আগে তোর সাথে আমার পরিচয়। আজ দিনটা ভুলতে পারছিনা একটুও। আজ সকাল থেকেই তোর তোর ফেসবুক প্রোফাইলটা খুলে খুলে দেখছি। গত বছর এইদিনটায়ে অফিস থেকে ফিরে দেখেছিলাম তুই আমার রিকোয়েস্টটা একসেপ্ট করেছিলি। সেই রাত থেকেই তোকে ভালবেসেছিলাম। আজও বুঝে উঠতে পারলিনা।
আচ্ছা তোর মনে আছে ? নভেম্বরে সেই রাতটা খুব কষ্ট হয়েছিল না তোর ? আমার জন্য তুই স্টেশনে ১.৫ ঘন্টা দাড়িয়েছিলি । আমি দূর থেকে তোকে দেখেছিলাম হলুদ সালোয়ার পরে এসেছিলি, উফফফ কি সুন্দরী না তোকে লাগছিলো । লজ্জায় আমার দিকে তাকাচ্ছিলিই না। তুই গঙ্গার ধারে ওই শিব মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে জানিস আমি কি চেয়েছিলাম ? শুধু তোর খুশি। সেদিন আমি যেন সব পেয়েছির দেশে চলে গেছিলাম। তোর আর আমার তোলা সেদিনের ছবিটা এখানও মামনির মোবাইলে আছে জানিস।
ছুটি শেষ, বেঙ্গালরে ফিরতে হবে। লাস্ট সেদিন কি কান্না কেঁদেছিলি, জানিস রানী, আজও তোর মুখটা ভেসে আসছে। খিমছে ধরে রেখেছিলি আমার হাতটা, চোখ বন্ধ করে রেখে কাঁদছিলিস। আমার কান্নাটা বোধ হয়ে দেখতে পাসনি সেদিন।
ভিডিও কলের জন্য রোজ জালাতিস। আর ঘুমনোর আগে কি একটা মন্ত্র ফুকে দিতিস, আজও জানালিনা। আজও সেদিন কিভাবে বালিশ ছিরেছিলি বলিসনি কিন্তু। ভুলতে পারছিনা জানিস রানী। রোজ ভাবি -ভাবব না তোর কথা, কিন্তু কেন জানিনা এই স্মৃতিগুলো লোহার শেকলের মতন আটকে রেখেছে আমাকে। মনে হয়ে রোজ কেউ হৃদয়টার মধ্যে পাথর দিয়ে মারছে সাথে ওই তীক্ষ্ণ নখর গুলো দিয়ে আসতে আসতে সেই পাথর বার করে দিছে। দিন দিন এই স্মৃতিগুলো তাড়া করে বেরায়, শুধুমাত্র মামনি বাবার জন্য বেচে আছি, নাহলে ইছা করে ওই স্মৃতির মধ্যে মিসে যাই। একটুও সুখে নেই আমি জানিস। কেন আসিস রোজ তিলে তিলে আমাকে মারতে? কি চাই? যা ছিল সবই তো নিয়ে গেছিস, একটা আধমরা প্রান ফেলে রেখে দিয়ে।
আবার, আবার আসছে ওই ভাবনা গুলো। কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়ে গেছে মনের ভিতরে সব। যেদিন তোর সাথে দেখা হয়েছিল, লাফিয়ে উঠে জরিয়ে ধরেছিলিলিস সবার সামনে। মনে আছে তোর? বলেছিলি আমাকে জরিয়ে যেন আমি আর কোনদিন তোকে ছেঁড়ে না যাই। সাধে কি বলতাম পাগলী ছিলিস। তা না হলে সারাদিন বাজার করে নিজে না খেয়ে আমার জন্য খাবার রেঁধে নিয়ে আসতিস? সেদিন মনে মনে তোকে নিজের জীবন সঙ্গিনী ভেবেছিলাম। মামনি ছাড়া ওইভাবে আমাকে কেউ ভাত বেড়ে খাওয়াএনি।
কি এমন তাড়া ছিল রে তোর? যে আমার আসার জন্য ৬ টা মাষও অপেক্ষা করতে পারলি না? আমাকে বাড়ি ফেরার, আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর একটা সুযোগ দিতে পারতিস। তুই জানিস আমার জীবন কিভাবে পরিবর্তন হয়ে গেছে। নিজে বুঝতে পারিনা আমি কোণটা ভালো কোণটা খারাপ। সবাই বলে কেমন যেন আমি বদলে গেছি, আগের মতন খুস মেজাজি ভাবটা নেই। শুধুমাত্র বেচে আছি, নিজেই বুঝতে পারছিনা আমাকে কি করতে হবে না করতে হবে।
মানছি আমি তোর কাছে ছিলাম না, আমার খারাপ সময়ে চলছিল, তোর বন্ধুদের নিয়ে আমার অসুবিধা ছিল, আমার অনেক ভুল ছিল, তোর আর তোর স্বাধীনতার মাঝে আমি দেওাল ছিলাম, মানছি আমি ওত তোকে বুঝতে পারতাম না, কথায়ে কথায়ে ছেঁড়ে চলে যেতাম, খুব চিৎকার করতাম তোর উপর, অনেক কাঁদাতাম তোকে কিন্তু রানী জানিস তোর দিব্যি বলছি- শুধুমাত্র তোকে ভালবেসেছিলাম ।আজ আমি কলকাতার বুকে বসে আছি। চাইলেও তোকে দেখতে পারছিনা। আজ চাইলেও তোর বকাবকি শুনতে পাইনা জানিস।
১৫ দিনের মধ্যে আমাকে ভুলে গেলি বল? ১৫ দিনের মধ্যে আমাদের দেখা সব স্বপ্নগুলোকে গলা টিপে খুন করে দিলি। ২দিনে আমাকে ভুলে গেলি। তোর মধ্যে কি মনুষ্যত্ব নেই? নারে ঠিকই হয়েছে, আমার সেদিন থেকেই দূরে চলে আসা উছিত ছিল যেদিন থেকে তোকে ভালবাসতে শুরু করেছিলাম, কারন তুই না আমার চাওয়াতে আমার জীবনে এসেছিলিস, না আমার ইছেতে তুই চলে গেছিস। আজ অবধি জানিস তোর ছবি ডিলিট করতে পারিনি; রোজ একবার করে তোর প্রোফাইল খুলে ঢেকে আসি। ভিডিও কলেও কাঁদতিস আমাকে দেখার পর। হ্যাঁ সেবার রেগে বলেছিলাম যে আমাকে আর ফোন করবিনা। কিন্তু তাই বলে এটা বুঝিনি তুই আর ফিরবিনা। কোনদিনও ফিরবি না।
"পাশে থাকাটা জরুরী নয়, সাথে থাকাটা জরুরী"- তোর বলা এই কথাটা বিরক্তিকর লেগেছিল সেদিন যেদিন দেখেছি এই কথাটা আমি অন্যের জন্য তোকে বলতে।
খুব সুখে আছিস না? অনেক অবলা কথা থেকে গেছে জানিস মনে। আজ তুই সামনে থাকেলে বলতাম-
আচ্ছা তোর মনে আছে ? নভেম্বরে সেই রাতটা খুব কষ্ট হয়েছিল না তোর ? আমার জন্য তুই স্টেশনে ১.৫ ঘন্টা দাড়িয়েছিলি । আমি দূর থেকে তোকে দেখেছিলাম হলুদ সালোয়ার পরে এসেছিলি, উফফফ কি সুন্দরী না তোকে লাগছিলো । লজ্জায় আমার দিকে তাকাচ্ছিলিই না। তুই গঙ্গার ধারে ওই শিব মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে জানিস আমি কি চেয়েছিলাম ? শুধু তোর খুশি। সেদিন আমি যেন সব পেয়েছির দেশে চলে গেছিলাম। তোর আর আমার তোলা সেদিনের ছবিটা এখানও মামনির মোবাইলে আছে জানিস।
ছুটি শেষ, বেঙ্গালরে ফিরতে হবে। লাস্ট সেদিন কি কান্না কেঁদেছিলি, জানিস রানী, আজও তোর মুখটা ভেসে আসছে। খিমছে ধরে রেখেছিলি আমার হাতটা, চোখ বন্ধ করে রেখে কাঁদছিলিস। আমার কান্নাটা বোধ হয়ে দেখতে পাসনি সেদিন।
ভিডিও কলের জন্য রোজ জালাতিস। আর ঘুমনোর আগে কি একটা মন্ত্র ফুকে দিতিস, আজও জানালিনা। আজও সেদিন কিভাবে বালিশ ছিরেছিলি বলিসনি কিন্তু। ভুলতে পারছিনা জানিস রানী। রোজ ভাবি -ভাবব না তোর কথা, কিন্তু কেন জানিনা এই স্মৃতিগুলো লোহার শেকলের মতন আটকে রেখেছে আমাকে। মনে হয়ে রোজ কেউ হৃদয়টার মধ্যে পাথর দিয়ে মারছে সাথে ওই তীক্ষ্ণ নখর গুলো দিয়ে আসতে আসতে সেই পাথর বার করে দিছে। দিন দিন এই স্মৃতিগুলো তাড়া করে বেরায়, শুধুমাত্র মামনি বাবার জন্য বেচে আছি, নাহলে ইছা করে ওই স্মৃতির মধ্যে মিসে যাই। একটুও সুখে নেই আমি জানিস। কেন আসিস রোজ তিলে তিলে আমাকে মারতে? কি চাই? যা ছিল সবই তো নিয়ে গেছিস, একটা আধমরা প্রান ফেলে রেখে দিয়ে।
আবার, আবার আসছে ওই ভাবনা গুলো। কুণ্ডলী পাকিয়ে রয়ে গেছে মনের ভিতরে সব। যেদিন তোর সাথে দেখা হয়েছিল, লাফিয়ে উঠে জরিয়ে ধরেছিলিলিস সবার সামনে। মনে আছে তোর? বলেছিলি আমাকে জরিয়ে যেন আমি আর কোনদিন তোকে ছেঁড়ে না যাই। সাধে কি বলতাম পাগলী ছিলিস। তা না হলে সারাদিন বাজার করে নিজে না খেয়ে আমার জন্য খাবার রেঁধে নিয়ে আসতিস? সেদিন মনে মনে তোকে নিজের জীবন সঙ্গিনী ভেবেছিলাম। মামনি ছাড়া ওইভাবে আমাকে কেউ ভাত বেড়ে খাওয়াএনি।
কি এমন তাড়া ছিল রে তোর? যে আমার আসার জন্য ৬ টা মাষও অপেক্ষা করতে পারলি না? আমাকে বাড়ি ফেরার, আমাকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর একটা সুযোগ দিতে পারতিস। তুই জানিস আমার জীবন কিভাবে পরিবর্তন হয়ে গেছে। নিজে বুঝতে পারিনা আমি কোণটা ভালো কোণটা খারাপ। সবাই বলে কেমন যেন আমি বদলে গেছি, আগের মতন খুস মেজাজি ভাবটা নেই। শুধুমাত্র বেচে আছি, নিজেই বুঝতে পারছিনা আমাকে কি করতে হবে না করতে হবে।
মানছি আমি তোর কাছে ছিলাম না, আমার খারাপ সময়ে চলছিল, তোর বন্ধুদের নিয়ে আমার অসুবিধা ছিল, আমার অনেক ভুল ছিল, তোর আর তোর স্বাধীনতার মাঝে আমি দেওাল ছিলাম, মানছি আমি ওত তোকে বুঝতে পারতাম না, কথায়ে কথায়ে ছেঁড়ে চলে যেতাম, খুব চিৎকার করতাম তোর উপর, অনেক কাঁদাতাম তোকে কিন্তু রানী জানিস তোর দিব্যি বলছি- শুধুমাত্র তোকে ভালবেসেছিলাম ।আজ আমি কলকাতার বুকে বসে আছি। চাইলেও তোকে দেখতে পারছিনা। আজ চাইলেও তোর বকাবকি শুনতে পাইনা জানিস।
১৫ দিনের মধ্যে আমাকে ভুলে গেলি বল? ১৫ দিনের মধ্যে আমাদের দেখা সব স্বপ্নগুলোকে গলা টিপে খুন করে দিলি। ২দিনে আমাকে ভুলে গেলি। তোর মধ্যে কি মনুষ্যত্ব নেই? নারে ঠিকই হয়েছে, আমার সেদিন থেকেই দূরে চলে আসা উছিত ছিল যেদিন থেকে তোকে ভালবাসতে শুরু করেছিলাম, কারন তুই না আমার চাওয়াতে আমার জীবনে এসেছিলিস, না আমার ইছেতে তুই চলে গেছিস। আজ অবধি জানিস তোর ছবি ডিলিট করতে পারিনি; রোজ একবার করে তোর প্রোফাইল খুলে ঢেকে আসি। ভিডিও কলেও কাঁদতিস আমাকে দেখার পর। হ্যাঁ সেবার রেগে বলেছিলাম যে আমাকে আর ফোন করবিনা। কিন্তু তাই বলে এটা বুঝিনি তুই আর ফিরবিনা। কোনদিনও ফিরবি না।
"পাশে থাকাটা জরুরী নয়, সাথে থাকাটা জরুরী"- তোর বলা এই কথাটা বিরক্তিকর লেগেছিল সেদিন যেদিন দেখেছি এই কথাটা আমি অন্যের জন্য তোকে বলতে।
খুব সুখে আছিস না? অনেক অবলা কথা থেকে গেছে জানিস মনে। আজ তুই সামনে থাকেলে বলতাম-
তোর চোখে চোখ রাখলেই
ধংস অভিযান,
তুই মানেই প্রেমের সুরে
হারিয়ে যাওয়া গান।।
তোর সাথে মাতাল হবো
করব আমরা জরাজরি,
হটাত করেই পাবে প্রেম
লোকে বলবে বারাবারি।।
মধ্য রাতে ফের বেজেছে
বালিশ পাশের ফোনটা,
ওমনি কেমন করছে দেখ
ব্রেইন নামক সেল টা,
ফের বেজেছে
ফের জেগেছে
মধ্য রাতের প্রেমটা।।
ধংস অভিযান,
তুই মানেই প্রেমের সুরে
হারিয়ে যাওয়া গান।।
তোর সাথে মাতাল হবো
করব আমরা জরাজরি,
হটাত করেই পাবে প্রেম
লোকে বলবে বারাবারি।।
মধ্য রাতে ফের বেজেছে
বালিশ পাশের ফোনটা,
ওমনি কেমন করছে দেখ
ব্রেইন নামক সেল টা,
ফের বেজেছে
ফের জেগেছে
মধ্য রাতের প্রেমটা।।


